দোহার উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে - মো. আলমগীর হোসেন এবার উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে হ্যাট্রিক করবেন। এই উপজেলার মাঠ পর্যায়ের আপামর জনসাধারনের সাথে কথা বলে জানা যায় মোঃ আলমগীর হোসেন দোহার থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি হওয়ার পর থেকে দলকে সু-সংগটিত করার জন্য, তৃনমুলের নেতৃত্বকে শক্তিশালী করার জন্য ও সাংগঠনিক বিশৃংখলা দুর করার লক্ষ্যে দোহার উপজেলার তৃনমুল পর্যায় থেকে শুরু করে পৌর কমিটি, ওয়ার্ড কমিটি ও বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠন সহ ৮টি ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে প্রায় ২৭ টি কমিটি তিনি নিজের ত্বাবধানে নিয়ে করেছেন ।
যোগ্য নেতা জনাব সালমান এফ রহমানের নির্দেশনায় কাজ করে তার উপজেলাকে গড়ে তুলেছেন আধুনিকতার ছোয়ায়। আলমগীর হোসেন সঠিক নেতৃত্ব, বিচক্ষণতা, ন্যায়বিচার, মেধা আর মননশীলতায় ইতোমধ্যে দোহারবাসীর হৃদয়ে তিনি আসন করে নিয়েছেন ।দোহারবাসী তাকে জননেতা সালমান এফ রহমানের যোগ্য প্রতিনিধি হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। যেখানে অন্যায় সেখানে মো. আলমগীর হোসেনের প্রতিবাদ। ন্যায় বিচার পাইয়ে দিতে তাঁর জুড়ি নেই। পরপর দুই বার দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। নিবার্চিত হওয়ার পর থেকেই একটা লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলেন। তাঁর প্রধান লক্ষ্য সন্ত্রাস নির্মূল করা, ভূমিদস্য ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়া, শিক্ষার মান উন্নয়ন, কর্মহীনদের কর্মে আগ্রহী করে তোলা ও কর্মসংস্থানে সহযোগিতা করা। অত্যাচারিতকে ন্যায়বিচার পাইয়ে দেওয়া। মাননীয় সংসদ জনাব সালমান এফ রহমানের বিভিন্ন উন্নয়নমুলক কাজেও সংযুক্ত থাকেন । মহামারি করোনায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সার্বক্ষণিক দোহারবাসীর পাশে থেকে যুগান্তকারী দায়িত্ব পালন করেছেন। আলমগীর হোসেনের প্রতিশ্রুতি মাননীয় সাংসদ সালমান ফজলুর রহমান এর নির্দেশনায় দোহার উপজেলাকে আদর্শ মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলার প্রতিশ্রুতি দেন। তাছাড়া মো. আলমগীর হোসেন বর্তমান চেয়ারম্যান দোহার উপজেলা। তিনি একজন সফল ব্যক্তিত্ব। তিনি দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের ইতিহাসে একজন সৎ নিষ্ঠাবান এবং সফলভাবে নির্বাচিত চেয়ারম্যান। ২০১৫ সালে নির্বাচিত হয়ে কৃষি, শিল্প, শিক্ষা, সামাজিক নিরাপত্তা, সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন, পরিবহণ ও যোগাযোগ- ক্ষেত্রে এবং ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে সাংগঠনিক দক্ষতায় নিজ দলে ও ব্যাক্তিগত তথ্য, মানবসম্পদ উন্নয়ন, কুটিরশিল্প, হাট-বাজারের ,ও স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়ন সাধনে উদ্যোগী হন। এর মধ্যে তাহার উল্লেখযোগ্য কাজ হচ্ছে দোহার উপজেলাকে পদ্মা নদীতে বিলিন হওয়া থেকে রক্ষা করা। মো. আলমগীর হোসেন নিজের তত্বাবধানে দোহার উপজেলার বেরীবাধ প্রকল্পের কাজকে পুর্নতা দিয়েছেন যার কাজ এখনও চলমান রয়েছে।
মো. আলমগীর হোসেন এর এই অবদান আগত প্রজন্মকে মনে করিয়ে দিবে একজন সফল রাজনিতীবীদ ও জনগণের সেবক হতে হলে কেমন মানুষ হতে হয় ও নিরন্তর কাজ করে যেতে হয়। আর এর উজ্জল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবেন মো: আলমগীর হোসেন। একজন মানুষ সকলের নিকট সমহারে ভালো পরিচয় বহন করতে পারেনা কারণ ভালো আর মন্দ বিচার করার ক্ষেত্র আমাদের সকলের দৃষ্টি ভঙ্গী আলাদা ধরনের বলেই এমনটা মনে হয় ।
গত নির্বাচন গুলোতে ও বর্তমানে ২০২৪ ইং উপজেলা নির্বাচনে তার প্রতিপক্ষ যারা ছিলেন বা এখন আছেন তারা বিভিন্নভাবে আলমগীর হোসেন কে নাযেহাল ও জনমনে তার
বিরুদ্ধে বিরুপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টির জন্য বহু চেষ্টা করেছেন এবং এবারও তার ব্যতিক্রম নয়, কিন্তু গত ২ বার সাধারন মানুষ অভাবনীয় ভাবে মো: আলমগীর হোসেন কে সমর্থন দিয়েছেন এবং এবারও মাঠ পর্যায়ের জরিপে আলমগীর হোসেন উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে বাকী প্রার্থীদের তুলনায় ব্যাক্তিক ইমেজের ইতিবাচক দিকগুলো বিচারের দিক দিয়ে বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই অন্যান্য প্রতিদ্বন্দীদের তুলনায় এগিয়ে আছেন এবং সাধারন জনমনে আশা রয়েছে আলমগীর হোসেন তৃতীয় বারের মত দোহার উপজেলার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে হ্যাট্রিক করবেন এবং আজীবন জনমনে বিরাজ করবেন৷
দোহারের একজন প্রবীণ রাজনীতিবীদ মনে করেন মানুষের স্বাভাবিক প্রবৃত্তি হচ্ছে ভালো কে গ্রহন করা আর খারাপকে বর্জন করা। আর এই ক্ষেত্রে মো: আলমগীর হোসেন এর পুরো রাজনৈতিক জীবন বিশ্লেষন করলে আমরা দেখতে পাব তার জনগনের প্রতি অগাধ ভালোবাসা রয়েছে যার দরুন উনি সবসময় জনগনের মোঙ্গলের জন্য কাজ করে যেতে চান বলে আমাদের প্রতিনিধিকে জানান এবং জনগনের সহযোগীতা চান যাতে করে সকলের সাথে মিলে মিশে একসাথে দোহার ও দোহারের গণ মানুষের জীবন মান এর উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখার জন্য কাজ করে যেতে পারেন।
আলমগীর হোসেন ব্যাক্তিগত ভাবে মনে করেন দোহারের জনগনই তার শক্তি।
এম এম হোসেন

Comments
Post a Comment